1. domhostregbd@gmail.com : devteam :
  2. wearesouthasian@gmail.com : editor :
  3. mthakurbd@gmail.com : executiveeditor :
Title :
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৭ তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা, শহীদ শেখ রাসেলের ৫৭তম জন্মদিনে বাউবি’র শ্রদ্ধা নিবেদন মুরাদনগরে সাংবাদিককে হুমকি, থানায় জিডি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের যাত্রা শুরু ইন্দুরকানীতে পানগুছি ব্রিকজ ইন্ডাস্ট্রিজ ৫০,০০০ টাকা জরিমানা হোমিও সমাধান বইটি মাইলফলক হয়ে থাকবে ফেনি জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদুজজমান এই ঐক্য নৌকার বিজয় ঠেকাতে পারবেনা -এস এস কামাল নড়াইলে পুজা উদযাপন কমিটিরি সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নড়াইলে ধর্ষণ বিরোধী মানববন্ধন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ডোবায় ভাসছিল একই পরিবারের তিন লাশ

জমি জটিলতায় আটকে আছে সংযোগ সড়ক নির্মাণ সুফল বঞ্চিত ৩২ গ্রামের মানুষ

  • Update Time : Thursday, October 8, 2020
  • 8 Time View

লাবন্য রহমান,নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের গন্ডব খেয়াঘাটে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে তুষখালি দোয়ার ওপর সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়কের অভাবে স্বপ্নের সেতুটি ব্যবহার করতে পারছেন না ৩২ গ্রামের মানুষজন। জমি জটিলতায় সংযোগ সড়ক নির্মিত না হওয়ায় গ্রামবাসীদের দূর্ভোগ আর দূর্দশার যেন শেষ নেই।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের এপ্রিলে স্থানীয় জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের গন্ডব খেয়াঘাটে ১০ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৭৫ দশমিক ২০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। নির্মাণকাজ পান গোপালগঞ্জের পিপিএল ও এনএকে নামে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চুক্তি অনুযায়ী ২০১৭ সালের ২২ অক্টোবর কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নানা জটিলতার কারণে গত ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে মূল সেতুটির নির্মান কাজ শেষ হয়। সেতুটির সংযোগ সড়কের জন্য দরকার পড়ে সেতুর দুই পাশে থাকা ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি। কিন্তু ক্ষতিপূরণ না দেওয়ায় জমির মালিকেরা সংযোগ সড়ক করতে বাধা দেয় এবং আদালতের শরণাপন্ন হয় । এতে আটকে পড়ে সড়কটির নির্মান কাজ।

বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ওই সেতু এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, সেতুটির মূল কাজ শেষ হয়েছে প্রায় ১০ মাস আগে। রাস্তা থেকে সেতুটিতে উঠতে গেলে অন্তত ২০ ফুট উচ্চতা দিয়ে উঠতে হচ্ছে। একটি বাইসাইকেল চালিয়েও সেতুতে ওঠার উপায় নেই। ইঞ্জিনচালিত কোনো যানবাহনই সেতু দিয়ে যেতে পারে না। আলাপকালে স্থানীয় গ্রামবাসী জানিয়েছেন, সেতুটির দু’পাশের সংযোগ সড়ক নির্মাণ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় এ এলাকার মানুষের দূর্ভোগ যেন শেষ হচ্ছে না।
কাশিপুর ইউপির ২ নং ওয়ার্ডের মেম্বর ছলেমান শেখ জানান, সেতুটির সংযোগ সড়কের জটিলতা নিরসন হলে উপজেলার উত্তর এলাকার ৪টি ইউনিয়নের ৩২ গ্রামের মানুষ জেলা সদর ও উপজেলা সদরের সাথে সড়ক পথে সংক্ষিপ্ত ও দ্রæত সময়ের মধ্যে যাতায়াত সুবিধা পাবে। ওই এলাকার সমাজ সেবক মুজিবর রহমান বলেন, প্রায় দশ মাস মূল সেতুটির কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক নির্মান না হওয়ায় সেতুটি মানুষের কোন উপকারে আসছে না। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের দাবী জমির জটিলতা নিরসন করে দ্রæত গন্ডব সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মান করে সর্বসাধারণের চলাচলের উপযোগী করা হোক।

সংযোগ সড়কের দুই পাশের জমির মালিক রাজ্জাক মোল্যা, তসির মোল্যা ও ইব্রাহীম মোল্যা বলেন, তাদের জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মান করা হলে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এ অভিযোগ এনে তারা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দুটি জানায়, সেতুটির মূল কাজ শেষ হয়েছে। দু’পাশের ২৫০ মিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ বাকি। কিন্তু সেতুটির দক্ষিণ পাশে যেখানে ১২৫ মিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে হবে, সেখানে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাদের নিজেদের জমি দাবি করে আদালতে মামলা করায় সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। এলজিইডি বিভাগ জমি বুঝিয়ে দিলেই কয়েক দিনের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করা সম্ভব।

 উপজেলা প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদার বলেন, সেতুটির স্টীমেট করার সময় জমির মালিকেরা কোন আপত্তি করেনি। এ কারণে স্টীমেটে জমি কেনার ও কোন হিসাব হয়নি। সেতুটি নির্মাণ শেষ হওয়ার পর  জমির মালিকেরা ক্ষতিপূরন দাবী করে আদালতে মামলা করছে। এ কারণে সংযোগ সড়ক নির্মাণে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এসব  জটিলতার কারণে নতুন করে সংযোগ সড়কের নকশা করা হয়েছে এবং নকশাটি ইতমধ্যে অনুমোদন হয়েছে। আশা করছি খুব দ্রæত সংযোগ সড়কের কাজ শুরু করতে পারবো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Portal Developed By ekormo.Com